Opu Hasnat

আজ ১৭ জানুয়ারী সোমবার ২০২২,

শায়েস্তা ইউনিয়নে আবারো নৌকা প্রতীক চান বর্ষীয়ান আ’লীগ নেতা মোসলেম চোকদার মানিকগঞ্জ

শায়েস্তা ইউনিয়নে আবারো নৌকা প্রতীক চান বর্ষীয়ান আ’লীগ নেতা মোসলেম  চোকদার

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আদর্শ ধারন করে তৃনমূলে দলকে সুসংগঠিত করতে সামনে থেকে নেতৃত্বদানকারী পরিচিত মুখ মোঃ মোসলেম উদ্দিন চোকদার। তিনি ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়ে বিএনপির দখলে থাকা মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন তিনি ওই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন টানা ২ যুগ। এছাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ছিলেন ৭ বছর। বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও শায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে তিনি দলীয় প্রতীক নৌকা প্রত্যাশী। তাকে দিয়েই স্থানীয় নেতাকর্মীরা চেয়ারম্যানের পদটি ধরে রাখতে চান।

স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘাতকদের হাতে স্ব-পরিবারে নিহত হওয়ার পর থেকেই সেনা ও স্বৈরাচার সরকারের দুঃশাসনের সময় তৃনমূলে দলকে টিকিয়ে রাখতে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। ৮০‘র দশক থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামীলীগকে ধরে রাখতে যে কয়জন নেতা মাঠে কাজ করেছেন তাদের মধ্যে আমারও সক্রিয় অংশ গ্রহন ছিল। দলের নেতৃত্বে থেকে শায়েস্তা ইউনিয়নকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছি। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এক তরফা জাতীয় নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে লক্ষীপুর মাদরাসা কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেয়া হয় মামলা । পরিবার পরিজন নিয়ে ওই সময় প্রায় ৩ মাস বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র থাকতে হয়েছে বলেও তিনি জানান।

মোসলেম উদ্দিন চোকদার আরো বলেন, বর্তমানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সহযোদ্ধা হিসেবে সিংগাইর উপজেলা আওয়ামীলীগের সুযোগ্য সভাপতি ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কন্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের সহযোগিতা ও দিক নির্দেশনায় শায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকারের দেয়া বিভিন্ন প্রকার ভাতা, গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, সড়কবাতি স্থাপন, নিরাপদ সেনিটেশন, সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন, ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণ, দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ সামগ্রী সুষ্ঠ বন্টন। সামাজিক ন্যায়বিচার, মাদক নিমূল, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ ও বাজার ব্যবস্থাপনা, আইন শৃংখলা উন্নয়নসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন গ্রামকে শহরে রুপ দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন বলে এ বর্ষীয়ান নেতা জানান। সেই সাথে চলমান করোনা কালে সরকারি সাহায্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি পারিবারিক জীবনে তিনি কৃষিকে প্রধান পেশা হিসেবে নিয়ে সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে ৪ ছেলে ও ১ মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। তারা সকলেই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। প্রবীণ এ আওয়ামীলীগ নেতা আরেক টিবার নৌকার মাঝি হিসেবে ইউপি চেযারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনসেবা ও দেশের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চান।