Opu Hasnat

আজ ৩০ জুলাই শুক্রবার ২০২১,

ব্রেকিং নিউজ

মোরেলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এমপি আমিরুল আলম মিলন বাগেরহাট

মোরেলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের  পাশে এমপি আমিরুল আলম মিলন

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ঘটনা স্থাল পরিদর্শন করেছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মো: আমিরুল আলম মিলন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে ক্ষতিপুরণের আশ্বাস প্রদান করেন।

আগুনে ৫টি সম্পূর্ণ এবং আরো ৫টি আংশিক মোট ১০টি দোকান পুড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি । মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে। 

বিকালে ঘটনা স্থাল পরিদর্শন করেছেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মো: আমিরুল আলম মিলন এবং মোরেলগঞ্জ পৌর মেয়র এস এম মনিরুল হক তালুকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় কমিশনারের মাধ্যমে তালিকা করে ক্ষতিপুরণের আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের অন্তরগত নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ডে বুধবার সকাল ৭টার দিকে জনতা ব্যাংক এর বিপরীতে কয়েকটি ফলের দোকান থেকে কালো ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে মোরেলগঞ্জ ফায়াার সার্ভিস এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফলে অন্য দোকানগুলো আগুনে পোড়া হতে রক্ষা পায়। তবে আগুন ভোর রাতের কোন এক সময় লেগে সবার অলক্ষ্যে জ্বলতে থাকে বলে স্থানীয়দের ধারণা। 

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ১০/১২ মিনিটের মধ্যে নির্বাপন করতে সক্ষম হই। কিন্তু এ সময়ের আগেই আগুন দ্রুত চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে সেখানকার পান্না চাপরাশির মুদি দোকান, জুয়েলার কসমেটিকসের দোকান, মতিন আকনের চায়ের দোকান, আবুবকর সিদ্দিকের মুদি ও মাছের খাবারের দোকান, মোস্তফা শেখের ফলের দোকান, মহরত তালুকদারের ফলের দোকান, দুলাল চন্দ্র শীলের সেলুনের দোকান , জাকির হোসেন মিলনের কসমেটিকস ও মুদি দোকান আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এরা সবাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পান্না চাপরাশির  মুদি দোকান, আবু বকর সিদ্দিকের মুদি ও মাছের খাবারের দোকান, জাকির হোসেন মিলনের কসমেটিকসের দোকান ও মোস্তফার ফলের দোকান। এ দোকানগুলো  প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

এদিকে, করোনা মহামারীর এ পরিস্থিতিতে শেষ সম্বল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে অঝোরে কেঁদে চলেছেন  ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকরা।