Opu Hasnat

আজ ১৬ জুন বুধবার ২০২১,

মানিকছড়িতে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার আটক খাগড়াছড়ি

মানিকছড়িতে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার আটক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মানিকছড়ি উপজেলাতে  শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বড়বিল মাদরাসাতুল মদিনার মাদ্রাসা সুপার মো: নাজনুল হাসান শিকদার(৩২)কে আটক করা হয়েছে। বড়বিল মাদরাসাতুল মদিনার সুপার কর্তৃক এক শিশু শিক্ষার্থী যৌন হয়রানীর অভিযোগে মামলা দায়েরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর সুপার মাওঃ মো: নাজনুল হাসান শিকদার(৩২)কে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ  জানায়, মানিকছড়ি উপজেলার বড়বিল সরকারী প্রাথমিক স্কুল সংলগ্ন খালের পাড়ে মাদরাসাতুল মদিনা নামকরণে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন দাওয়াতী ইসলাম নামের একটি  ধর্মীয় গ্রæপ। এর পর এলাকার অসহায়, দরিদ্র পরিবারের ছেলেদের ধর্মীয় জ্ঞানার্জনে ভর্তি করান অভিভাবকরা। 

গত ৩ মে  মাদ্রাসার এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে। নিপীড়নের শিকার শিক্ষার্থী মাদ্রাাসায় যেতে অনিহা প্রকাশ করে। পরে মায়ের কাছে নিপীড়নের বিষয়টি খুলে বলে নির্যাতনে শিকার শিক্ষার্থীা। পরে শিশুটিক হাসপাতালে আনা হয়। এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। 

ঘটনার বিবরনে জানা গেছে, উপজেলার বড়বিল সরকারি প্রাথমিক স্কুল সংলগ্ন খালের পাড়ে একটি বিতর্কিত ভূমিতে ২০২০সালের শেষের দিকে মাদরাসাতুল মদিনা নামকরণে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন দাওয়াতী ইসলাম নামের একটি ধর্মীয় গ্রুপ। এরপর এলাকার অসহায়, দরিদ্র পরিবারের ছেলেদের ধর্মীয় জ্ঞানার্জনে ভর্তি করান অভিভাবকরা।

কিন্তু সুপারের দুঃচরিত্রের কারণে গত ৩রা মে শিশু শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী সুপার মাওঃ মো: নাজমুল হাসান শিকদার(৩২), পিতা-মো: চাহজাহান শিকদার, সাং-চিরিঙ্গা, কক্সবাজার কর্তৃক যৌন হয়রানীর শিকার হয়। পরে শিশুটি মাদরাসা থেকে বাড়ি ফিরে বেশ কয়েক দিন অসুস্থতাভোগ করে এবং মাদরাসায় যেতে অপারগতা প্রকাশ করে। শিশুটির মা সাহিদা বেগম বার বার ছেলেকে মারধর করেও মাদরাসায় পাঠাতে ব্যর্থ হয়।

এদিকে ছেলে (৮) শরীরে ব্যাথা ও রক্তাক্তের নমুনা দেখে মা ছেলেকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে গত ৭ই মে ছেলে ঘটনা খুলে বললে প্রথমে শিশুটিক হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসক ডা: মো: মহিউদ্দিন শিশুর শরীওে (পিছনে) রক্তাক্ত, মুখে ও হাতে কামড়ের চিহ্ন দেখতে পেয়ে চিকিৎসা দেন।

পরে শিশুর মা সাহিদা বেগম সুপার মাও: নাজমুল হাসান শিকদারকে অভিযুক্ত করে সন্ধ্যায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ সাথে সাথে সুপারকে আটক করেন। যদিও অভিযুক্ত সুপার শিশুকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বাদীর অভিযোগ এবং শিশুর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন থাকায় পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আাইনে একটি মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং-১ তারিখ ৮.৫.২০২১খ্রি.। থানার অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন ঘটনার সত্যতা সীকার কওে জানান, ‘যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারকে আটক করা হয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর